Wednesday , 21 November 2018

সংবাদ শিরোনাম

(পর্ব-২) দুর্নীতির আখড়া লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড

September 4, 2018 11:45 pm Leave a comment A+ / A-

লক্ষ্মীপুর: দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। নির্বাহী প্রকৌশলী ও হিসাব সহকারীর অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা ও লুটপাটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে জেলার উন্নয়ন কর্মকা-। নানা অনিয়ম নিয়ে খোদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের মধ্যেই চলছে অন্তর্কোন্দল। তাই গৃহের আগুনেই পুড়ছে লক্ষ্মীপুরের পাউবো। এরই ধারাবাহিকতায় পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী ও উর্দ্ধতন হিসাব সহকারীর নানা অনিয়ম চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

News Link: (পর্ব-১) লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের উর্দ্ধতন হিসাব সহকারী মোঃ শরীফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে ফেনী পওর সার্কেলের তত্ত্বাবদায়ক প্রকৌশলী, লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাপাউবো পূর্বাঞ্চল কুমিল্লা’র প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর বরাবরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়াও তার খামখেয়ালীপনার কারণে হয়রানী হচ্ছে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। সম্প্রতি রামগতি পওর উপ-বিভাগের কার্য-সহকারী (পিআরএল) আনোয়ার হোসেন ছুটিতে যাওয়ার পর তার ১৮ মাসের অর্জিত ছুটির বিলের পাওনা টাকা নিয়ে তালবাহানা করে। পরে ভুক্তভোগি আনোয়ার হোসেন পওর বিভাগ লক্ষ্মীপুর নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, উর্দ্ধতন হিসাব সহকারি শরীফুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মুসাকে ম্যানেজ করে মাসের বেশের ভাগ সময় অফিসে থাকেন না। এছাড়াও মাসে ৮/১০ দিন অনুপস্থিত থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব দুর্নীতি ও অনিয়মের কথা স্বীকার করেছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাউবোর একাধিক কর্মকর্তা। তারা জানায়, ক্যাশিয়ার শরীফুল ইসলামের কাছে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ৪র্থ শ্রেণির কর্মকাচরীদের সাথে অসাদাচরণ ও অশ্লিল ভাষায় গালমন্দ করেন। সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে ক্যাশিয়ার শরীফুল ইসলাম যোগদান করার পর থেকে সরকারি কোয়াটারে থাকলেও তার কোনো বিল পরিশোধ করেননি বলে জানিয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাউবোর অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, কোটেশনের মাধ্যমে কাজ বণ্টন করা হচ্ছে সরকারি অর্থ লুটপাটের একটি অন্যতম পন্থা। এ পন্থায় নির্বাহী প্রকৌশলী ও উর্দ্ধতন হিসাব সহকারিসহ সংশ্লিষ্টরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। সূত্রটি আরও জানায়, কোটেশন বিলগুলোর মধ্যে যেসব প্রকল্পের কাজ করা হয় না সেসব বিলের বিশ শতাংশ ঠিকাদারদের দিয়ে আশি শতাংশ টাকা নির্বাহী প্রকৌশলী হাতিয়ে নেয়। ফলে কাঙ্খিত উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না।

জানতে চাইলে উর্দ্ধতন হিসাব সহকারি শরীফুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ্যতার কারণে ছুটিতে থাকি। আমি না আসতে পারলে নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারকে মোবাইলে অবগত করি। পরে মেডিকেল সাটিফিকের্ট জমা দিয়ে দিই। তবে অন্যন্য অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মূসা মুঠোফোনে বলেন, হিসাব সহকারির বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা বলে জানান তিনি।

-(আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য নিয়ে আসছে পরবর্তী পর্ব) চলবে—–

(পর্ব-২) দুর্নীতির আখড়া লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড Reviewed by on . লক্ষ্মীপুর: দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। নির্বাহী প্রকৌশলী ও হিসাব সহকারীর অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা ও লুটপাটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে জে লক্ষ্মীপুর: দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। নির্বাহী প্রকৌশলী ও হিসাব সহকারীর অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা ও লুটপাটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে জে Rating: 0

আপনার মন্তব্য দিন

scroll to top